প্রখ্যাত সুরকার ‘আবদুল আহাদ’ সাংস্কৃতিক দল নিয়ে “গণচীনে চব্বিশ দিন” ভ্রমণ করে যা দেখেছেন তার মনোজ্ঞ বিবৃতি

প্রখ্যাত সুরকার ‘আবদুল আহাদ’ সাংস্কৃতিক দল নিয়ে “গণচীনে চব্বিশ দিন” ভ্রমণ করে যা দেখেছেন তার মনোজ্ঞ বিবৃতি

“অনেক বৃষ্টি ঝড়ে তুমি এলে” গানটির সুরকার আবদুল আহাদ ছিলেন বাংলা সংস্কৃতি জগতে একজন সুবিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। শামসুর রাহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল সহ অনেক বিখ্যাত কবি ও গীতিকারের রচনায় তিনি সুরারোপ করেছেন। পাকিস্তানী বিরূপ পরিবেশে রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি নিজেদের আত্মপ্রেম প্রকাশে যে সকল সংস্কৃতিমান বাঙালি সচেষ্ট ছিলেন, তাদের মধ্যে আবদুল আহাদ (১৯৩৮-১৯৯৪) একজন। মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের স্বরলিপি বিশ্বভারতী সংগীত বোর্ড কর্তৃক অনুমোদন করার কাজে আবদুল আহাদের ভূমিকা ছিল প্রধান। তিনিই প্রথম বাঙালি মুসলমান যিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশায় ১৯৩৮ সালে শান্তিনিকেতনে সংগীত শিক্ষার জন্য বৃত্তি নিয়ে যান। শান্তিদেব ঘোষ ও শৈলজারঞ্জন মজুমদারের কাছে সংগীত শিক্ষা শেষে তিনি 'হিজ মাস্টার্স ভয়েস' গ্রামোফোন কোম্পানিতে ‘শিল্পী এবং রবীন্দ্রসংগীতের ট্রেনার’ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দেশভাগের পর বাংলাদেশের বৃহত্তর সমাজে রবীন্দ্রসংগীতকে পরিচিতি করে তুলতে নানাভাবে কাজ করেন।

ষাটের দশকের কোন এক সময়ে ‘আবদুল আহাদ’ ৪৭ জনের একটি সাংস্কৃতিক দল নিয়ে চীনে সরকারি সফরে যান। এই সফরের বিভিন্ন খুঁটিনাটি ঘটনাকে উপজীব্য করে রচনা করেছেন “গণচীনে চব্বিশ দিন”। ডায়রি বা দিনলিপির মত কিছুটা চরিত্রবৈশিষ্ট্য থাকলেও প্রধান ভঙ্গিটা একজন সংস্কৃতিপ্রেমী ভ্রমণকারীর। ফলে বইটি পাঠ করতে গিয়ে একঘেয়ে বর্ণনার মায়াজালে ক্লান্ত হতে হয় না। প্রিন্টার্স লাইনে নাম না থাকলেও ‘প্রকাশকের কথা’ শীর্ষক মুখবন্ধে নিশাত জাহান রানা বইটি সম্পর্কে জানান-
… এক বিশাল সাংস্কৃতিক দলের সদস্য হিসেবে ২৪ দিনের জন্য গণচীন সফরে যান আমাদের সঙ্গীত জগতের অন্যতম পুরোধা আবদুল আহাদ। এই সফর তাঁর কাছে ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতা তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন অত্যন্ত প্রাঞ্জলভাবে। তাঁর চীনদেশ সম্পর্কিত জ্ঞান, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং লেখার সাবলীল দক্ষতা এই বইকে পাঠকের সামনে হাজির করে একটি সুখপাঠ্য ভ্রমণকাহিনী হিসেবে। মুহূর্তেই পাঠক হয়ে ওঠেন লেখকের চীন-সহযাত্রী।
সত্যিই তাই। কোন কোন পৃষ্ঠায় তারিখ উল্লেখের কারণে দিনলিপির চরিত্র থাকলেও বর্ণনাসৌকর্যের কারণে ভ্রমণবিবরণীতে পর্যবসিত হয় নি। অনবদ্য ভাষাভঙ্গির কারণে পাঠক কখন যে লেখকের সফরসঙ্গী হয়ে উঠবেন, তা টেরও পাবেন না। আবদুল আহাদ সুর জগতের পাশাপাশি ভাষার উপর যে অনায়াস নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছেন, তা অনেকেরই হয়তো জানা নেই। এই বই পাঠে পাঠকের সেই অজ্ঞানতা দূর হয়ে যাবে।

তিনি ছিলেন দলের দ্বিতীয় নেতা। তাঁদের ভ্রমণের দশ দিন আগে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান চীন ভ্রমণ সমাপ্ত করে দেশে ফিরে আসেন। চীনে তাঁরা বিভিন্ন প্রদেশ বা অঞ্চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন। পাশাপাশি সে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। লেখক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিবরণ দেয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের তথা পরিপার্শ্বের বর্ণনাতে কার্পণ্য করেন নি। চীনের যা কিছু তাঁর চোখে পড়েছে, তার প্রশংসাসূচক বর্ণনায় লেখক মুক্তকণ্ঠ। চীনের যে সব জায়গায় গেছেন, সেসব জায়গার সাধারণ মানুষের আন্তরিক ব্যবহার, সরকারি কর্মকর্তাদের সহৃদয় সহযোগিতা, এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গৌরবময় ইতিহাস, শ্রমজীবী মানুষদের পরিশ্রমী জীবনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতা কোন কিছুই লেখকের দৃষ্টি এড়ায় নি। লেখকের মননশীল চোখে চীনের সবকিছুই ইতিবাচকরূপে প্রতিভাত হয়েছে।

কয়েকটি মজার ঘটনাও রয়েছে। বাঙালিরা কখনও কখনও চাইনিজ খাবারের প্রতি একটা আলাদা আকর্ষণ বোধ করে। কিন্তু সত্যিকারের চীনা খাবার পেলে সমস্যায় পড়ে যায়। এ অবস্থা নতুন নয়। আবদুল আহাদের দলেরও একই অবস্থা হয়েছিল। চীনে পৌছার পর খাবার খেতে গিয়ে কী অবস্থা হয় তার বিবরণ বই থেকে একটু তুলে দেয়া যায়-
সবাই খেতে বসেছি। একটার পর একটা খাবার আসছে - খুব অনিচ্ছাসত্ত্বেও কেউ মুখে তুলছে, কেউ তুলছে না। এদের অবস্থা দেখে আমি এবং হুদা না হেসে পারছিলাম না। এতদিন ঢাকায় চু-চিন-চাও, চ্যাংওয়াতে যে সব মজার চীনা খাবার খেতে এসেছে, পিকিং- এ বসে এই আসল চীনা খাবারের সাথে তার কোন মিলই খুঁজে পাচ্ছিল না। পৃ - ১৬
ভ্রমণকাহিনী'র বড় বৈশিষ্ট্য যে সে এলাকার প্রকৃতি বর্ণনা - তা এই বইতে এড়িয়ে যাওয়া হয় নি। প্রসঙ্গক্রমে লেখক পীত নদীর কথা বলেছেন। একসময় পীত নদী ছিল চীন দেশের আতঙ্ক। কিন্তু বিপ্লবের পরবর্তী বৎসরগুলোতে পীত নদীকে নিয়ন্ত্রণ করে ফেলা হয়েছে। পীত নদী চীনের জন্য আর আতঙ্ক নয় বরং আশীর্বাদ হয়ে অর্থনৈতিক উন্নতিতে অবদান রেখে চলেছে।

লেখকের ভাষ্যে চীনদেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়নের একটি চিত্র জানা যায়। চীন রাষ্ট্রের কর্ণধারগণ জানে জনগণকে আনন্দিত করে তোলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, যা বাস্তবায়িত হয় সংস্কৃতি কর্মীর মাধ্যমে। আর তাই শিল্পীরা রাষ্ট্রের কাছে অমূল্য সম্পদ বলে বিবেচিত হয়।
শিল্পীকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তাদের শিল্প বিকাশের পরিপূর্ণ সুযোগ দেয়া- এ সবই রাষ্ট্রের দায়িত্ব পৃ- ৩৬
সেখানে কেউ যখন সিদ্ধান্ত নেয় যে সে শিল্পী হবে, তখন তার আর কোন চিন্তা নেই। তাকে শিল্পী করে তোলার দায়িত্ব রাষ্ট্র নিয়ে নেয়। শুধু তাকে কঠোর পরিশ্রমের সাথে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ রাষ্ট্র তাঁর দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছে, এর মানে তার ভবিষ্যতও নিশ্চিত হয়ে গেছে।
চীনের প্রতিটি শহরে রয়েছে সঙ্গীত-নৃত্যের একাডেমি। এক পিকিং শহরেই সাত-আটটি সঙ্গীত-নৃত্যের একাডেমি রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে অপেরার একাডেমি। কালচারাল এফেয়ার্সের মি. কোয়ানকে জিজ্ঞাসা করে জেনেছি শিল্পীরা এদেশে সবচেয়ে বেশি বেতন পেয়ে থাকে। শিল্পীর সম্মান এদেশে সর্বাগ্রে। পৃ ৩৬
চীনের বিভিন্ন শহরে থাকা প্রাচীন স্থাপনাগুলো পরিদর্শনে লেখকের অপরিসীম আগ্রহ ছিল। চীনের বিখ্যাত মহাপ্রাচীর, মিং রাজবংশের সমাধিক্ষেত্র, সাংহাইয়ের জাদুঘর, চীনা সম্রাটের গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ, চীনের নিষিদ্ধ নগর ইম্পিরিয়াল প্যালেস প্রভৃতি জায়গায় লেখক ভ্রমণ করতে ভুলে যান নি। ঐতিহাসিক  কাঠামোতে পা ফেলতে ফেলতে স্থাপনা সংশ্লিষ্ট ইতিহাস তিনি পাঠকদের উদ্দেশে সংক্ষেপে উপস্থাপন করেন। পাঠক সাংস্কৃতিক দলের সঙ্গে চীনদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠান করতে করতে জেনে যান আধুনিক চীনের ইতিহাস।

সাংহাই মিউজিয়াম ভ্রমণ করতে গিয়ে লেখকের সংক্ষিপ্ত ভাষ্য চীনা জাতির ইতিহাস সম্পর্কে পাঠককে আগ্রহী করে তোলে।
সাংহাই মিউজিয়ামটির বিশেষ নাম আছে চীনদেশে। মিউজিয়ামের দ্রষ্টব্য জিনিসগুলিকে দশ ভাগ করা হয়েছে, দেখান হয়েছে কি ভাবে চীনে যুগে যুগে সামাজিক উন্নতির ক্রমবিকাশ হয়েছে। তিন হাজার বছরের পুরোন মৃৎপাত্র থেকে আরম্ভ করে ৮৭৮ খৃষ্টপূর্ব চাউ রাজবংশের সম্রাট লি-র সময়কার জিনিস রয়েছে। ৫৮৯ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত সুই, তাং এবং চিং তিনটি রাজবংশের সময়কার কেলিগ্রাফী, পোরসেলিন, ভাস্কর্য এবং আরও অনেক কিছু রয়েছে। এ ছাড়া সমসাময়িক যুগের চারুকলা এবং হস্তশিল্প রয়েছে। প্রায় হাজার বছরের আগেকার শিল্পীদের আঁকা কয়েকটি ছবি দেখলাম। শিল্পী সান উই, চাও চি এবং ওয়াং সেং- এঁদের আঁকা পাহাড়, উইলো গাছের উপর কাক, নলখাগড়ার ঝোপের মধ্যে বুনো হাঁস, কত যুগ আগেকার আঁকা এইসব ছবি দর্শককে অভিভূত করে রাখে। পৃ- ৫৬
লেখক বিভিন্ন জায়গায় চীনা মানুষদের সততা ও কর্মনিষ্ঠার একাধিক পরিচয় পেয়েছেন। একবার তিনি হাতঘড়িটি সকালবেলা হারিয়ে ফেলেন। হোটেলে, নাকি সামনের দোকানে কোথায় যে ফেলেছেন, তা একটুও মনে করতে পারছিলেন না। কিন্তু সন্ধ্যাবেলা চীনা সরকারি কর্মকর্তা তার হাত ঘড়িটি সামনে এনে হাজির করেন। লেখক বলেন তিনি শুনেছেন চীনারা নাকি বলে থাকে যে তাদের দেশে কোন কিছু হারায় না- আজ তার প্রমাণ পেলেন।

চীনের বিপ্লবী সরকার মানুষের প্রতিভার মূল্যায়নে কুণ্ঠা বোধ করে না। লেখক দুই জায়গায় দুইটি অনুষ্ঠান দেখেছেন যার প্রথমটি ছিল কৃষক ও মজুরদের অপেরা ও অন্যটি ছিল খানসামা বাবুর্চিদের পরিবেশিত গান। সমাজের এই শ্রেণীর গান যে অভিজাত শ্রোতার কাছেও উপভোগ্য হতে পারে, তা আমাদের সমাজের প্রেক্ষিতে চিন্তা করাও হাস্যকর।

দেশ গড়ার প্রধানতম কারিগর হল শ্রমিক শ্রেণী। দেশের অর্থনীতির পোক্ত বুনিয়াদ তাদের হাতেই তৈরি হয়। তাই চীনা সমাজে শ্রমিকদের দক্ষতা সর্বোচ্চ মূল্যায়ন পায়। লেখক একটি কার্পেট কারখানায় দক্ষ শ্রমিকের মাইনে ম্যানেজারের সমান বলে জেনেছেন। পরিশ্রমী দুইহাতের সম্মান ও মর্যাদা চীনা সমাজে রক্ষিত হয় বলেই হয়তো তারা আজ বিশ্বের প্রযুক্তি জগতে নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছে গেছে।

বইয়ের ভাষাভঙ্গী সহজ সরল অনবদ্য। ফলে পড়তে গিয়ে পাঠকের বইয়ের ভেতর ডুবে যেতে সময় লাগবে না। তবে কয়েকটি জায়গায় একটু খটকা লেগেছে। যেমন, কোন বৎসরের ২০ মার্চ চীন ভ্রমণ করেছেন তা কোথাও উল্লেখ নেই। শুধু দু'এক জায়গায় উল্লেখ আছে যে মাও সে তুংয়ের বিপ্লবের ১৫ বৎসর পর তাঁরা গণচীনে ভ্রমণ করতে গেছেন। এ থেকে ধারণা করা যায় তাদের ভ্রমণ ১৯৬৪ সালে হতে পারে।

এছাড়াও তিনি দুইবার ট্রেন যাত্রা করেন। একবার ১০০ কিলোমিটার যান, পিকিং থেকে তেনজিন। আড়াই ঘন্টায় এ যাত্রা সম্পন্ন হয়। তেনজিন ইউরোপীয়দের গড়া শহর। কার্পেট ও জেড ফ্যাক্টরির জন্য বিখ্যাত। লেখক আরেকটি ট্রেন যাত্রা করেন। দীর্ঘ ২৬ ঘন্টার। কিন্তু কত কিলোমিটার ভ্রমণ করলেন, তা উল্লেখ করেন নি। এরকম দুয়েকটি জায়গা ছাড়া বইটি উপভোগ্য। ভ্রমণপিয়াসী বাঙালি পাঠক ‘আবদুল আহাদ’ এর “গণচীনে চব্বিশ দিন” বই থেকে চীনের সাংস্কৃতির পরিমণ্ডলের পাশাপাশি সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থার একটি মনোজ্ঞ বর্ণনা পাবেন এ বিষয়ে সন্দেহ নেই।

চীনা সংস্কৃতির একটি উপাদানকে উপজীব্য করে তৈরি করা প্রচ্ছদ দিয়ে বইটিকে সাজিয়েছেন কাইয়ুম চৌধুরী। বইয়ের মোটা সাদা অফসেট কাগজের পৃষ্ঠাগুলোতে ছাপানোর মান ভাল। শক্ত মলাটে মোড়ানো বইয়ের উপরে একটি অতিরিক্ত গ্লোসি কাগজে ছাপানো প্রচ্ছদ দেয়া হয়েছে। বইয়ের শেষে ১৬টি পৃষ্ঠায় মোট ২৭টি ছবি রয়েছে। চীন ভ্রমণকালীন বিভিন্ন সময়ের চিত্রগুলো পাঠকের সামনে প্রাণময় প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। তবে সবগুলো ছবি সাদাকালো। তৎকালীন সময়ে রঙিন ছবি তোলার উপায় সুলভ ছিল না একথা আমাদের স্মরণ রাখা প্রয়োজন। চীনা অপেরা শিল্পী, মহাপ্রাচীর, সাংহাই মিউজিয়াম, জেড পাথরে সুক্ষ্ম খোদাইরত নারীশ্রমিক, মিং সম্রাটদের মাটির নীচে সমাধি সৌধ, চীনা সম্রাটদের গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ, নিষিদ্ধ নগরের রাজপ্রাসাদ, চীনের রঙ্গমঞ্চে আমাদের শিল্পীদের নৃত্য অনুষ্ঠানের দৃশ্য, পিকিং বিপ্লব মিউজিয়ামের অভ্যন্তরে রক্ষিত তৈলচিত্র ইত্যাদি ছবি পাঠকের সামনে লেখকের চীন ভ্রমণের বিভিন্ন মুহূর্তগুলোকে জীবন্ত করে তুলেছে। সর্বোপরি বইটি ভ্রমণপিপাসু পাঠককে কল্পনায় চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেবে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-:-
গণচীনে চব্বিশ দিন
আবদুল আহাদ


প্রচ্ছদঃ কাইয়ুম চৌধুরী
প্রথম প্রকাশঃ পৌষ ১৩৭৩
দ্বিতীয় মুদ্রণঃ ২০১৪
প্রকাশক, যুক্ত, ঢাকা
পৃষ্ঠাঃ ৭২+১৬
মূল্যঃ ২২০/=
ISBN: 978-984-91132-3-2

1 টি মন্তব্য:

মন্তব্য করার পূর্বে মন্তব্যর নীতিমালা পাঠ আবশ্যক। বিস্তারিতভাবে কিছু জানাতে চাইলে এখানে ক্লিক করে ই-মেইল করুন।