নতুন

[getBreaking results="10" label="recent"]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের আলোচনাঃ “আনোয়ার পাশা” রচিত ‘রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের আলোচনাঃ “আনোয়ার পাশা” রচিত ‘রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা’
আনোয়ার পাশা ছিলেন শিক্ষক, সাহিত্যিক, গবেষক এবং মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লিখেছেন বিখ্যাত উপন্যাস “রাইফেল রোটি আওরাত”। মৌলিক সাহিত্য সৃষ্টির পাশাপাশি সমালোচনা, বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ রচনাতেও তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তাঁর এরকম একটি আলোচনাপ্রধান বই রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা। এই বইতে আনোয়ার পাশা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্পগুলো সম্পর্কে নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে বহুমাত্রিক পর্যালোচনা করেছেন।

কোনরকম ভূমিকা বা মুখবন্ধ ছাড়া সরাসরি গল্পের ব্যবচ্ছেদ দিয়ে মূল বই শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র চিহ্নিত করার জন্য একটি সূচিপত্র আছে। কিন্তু লেখক আলাদাভাবে এই বই সম্পর্কে বা বইটি লেখার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোন কথা বলেন নি। মূল আলোচনাতেই তার আগ্রহ। বইতে কোন ভূমিকা না থাকায় বইয়ের কাঠামো বুঝতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে। প্রকাশকের নিজেরও কোন বক্তব্য কোথাও নেই। তাই এই বই প্রথম কত সালে প্রকাশ হয়েছিল বা সেই প্রকাশনার সাথে বর্তমান প্রকাশনার কোন মিল বা অমিল আছে কী না তা বোঝার কোন উপায় নেই। তবে দ্রুতপঠনের প্রেক্ষিতে আপাতভাবে মনে হয়েছে লেখক তার বইটিকে প্রধান দুইটি ভাগে ভাগ করেছেন। ‘গল্প পরিক্রমা: সাধারণ আলোচনা’ এবং ‘পরিশিষ্ট’। ‘গল্প পরিক্রমা: সাধারণ আলোচনা’ অংশটিই বইয়ের মূল অংশ। এই অংশেই বিভিন্ন শ্রেণীভেদ ধরে আনোয়ার পাশা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করেছেন।  নতুন পাঠক ও নবীন বিশ্লেষক বা সমালোচকদের কথা ভেবে বিরাটাকায় সূচিপত্রটি সম্পূর্ণ প্রকাশ করছি।


 সূচিপত্র 
  • গল্প পরিক্রমা: সাধারণ আলোচনা
    • গল্পগুচ্ছ ।। প্রথম খণ্ড
    • অমর্তলোক ।। হৃদয়-অরণ্য- ক. শৈশব-কৈশোর; খ. বাৎসল্য-প্রীতি; গ. প্রেম; ঘ. অন্ধ-সংস্কার।। সমাজ-সংসার-পরিবেশ- ক. ঘরোয়া-কাহিনী: পারিবারিকজীবন; খ. ব্যঙ্গাত্মক; গ. সমাজ ও সমাজ-সমস্যা।। শিল্পী-মানস ও শিল্পীজীবন
    • গল্পগুচ্ছ ।। দ্বিতীয় খণ্ড
    • বক্তব্য প্রধান গল্প।। হৃদয়-অরণ্য- ক. বিকৃত-মানসের প্রতিচ্ছবি; খ. বাৎসল্যপ্রীতি; গ. প্রেম।। সমাজ-সংসার-পরিবেশ- ক. কৌতুকাশ্রয়ী; খ. পারিবারিক; গ. সমাজ-পরিবেশ: যুগচিন্তা।। শিল্পী-মানসের আলেখ্য
    • দেশ ।। কাল
    • পল্লী-বাংলা ও নগর-কলকাতা: তুলনামূলক প্রাধান্য; নগরমুখী বাঙালি; পাশ্চাত্য-শিক্ষাপুষ্ট বাঙালি ও নব্য রক্ষণশীলতা; নতুন-পুরাতনের সংঘর্ষ; ইংরেজের ঔপনিবেশিক শাসন ও তৎকালীন রাজনৈতিক আকাশ
    • প্রকৃতি
    • কবির প্রকৃতি-দৃষ্টিতে ভারতীয় ও ইউরোপীয় ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার; প্রকৃতি: সহায়তা ও বিরূপতা; মানুষের সামনে প্রকৃতি-জগৎ অখণ্ড শান্তির প্রতীক; কয়েকটি বিশিষ্ট প্রয়োগ: নদী; বর্ষা; বসন্ত; শরৎ; ঝড়; জ্যোৎস্না; প্রকৃতি-দৃষ্টি বনাম সমাজ-দৃষ্টি; মানুষের ঘরে প্রকৃতি-কন্যা; রূপ-বর্ণনা-উপমা-রূপক-চিত্রকল্প ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রকৃতির ব্যবহার; কয়েকটি গল্পে প্রকৃতি; পোস্টমাস্টার; খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন; দারিয়া; ত্যাগ; ছুটি; সুভা-সমাপ্তি; মেঘ ও রৌদ্র; অতিথি
    • গল্পগুচ্ছ ।। তৃতীয় খণ্ড
    • দুই সভ্যতা-কর্ষণজীবী বনাম আকর্ষণজীবী; ব্যক্তি ও পরিবার- তাসের দেশ; তুমি আছ আমি আছি; পশ্চাতে রেখেছো যারে; বিশ্ববাউলের একতারা; তিন সঙ্গি; নারীপুরুষ সম্পর্ক; যুগ প্রতিবেশ; প্রাণমন
    • লিপিকা- শ্রেণী বিচার; প্রাণমন; মর্ত সংসার ও মর্ত জীবন; প্রবলের উদ্ধত প্রতাপ; শিল্পী জীবন ও শিল্পাদর্শ; গল্প সল্প; শেষ আলোকের উজ্জলতা; মৃত্যুর আলোকে; জীবন স্মৃতি; রাজার বাড়ি; মুনশী; ম্যাজিসিয়ান; মুক্তকণ্ডলী; আরোসত্য; মানুষের সপক্ষে; রূপসৃষ্টি; অস্তরাগ; নরনারী; অঙ্গিক প্রসঙ্গে
  • পরিশিষ্টঃ
    • বাংলা ছোটগল্পের পটভূমি ও প্রথমিক প্রচেষ্টা বাংলা ছোটগল্পের দেশকালগত পটভূমি ও রবীন্দ্র-মানস রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের ক্ষেত্রে উত্তরণ--- বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্প-রচনার প্রথমিক প্রচেষ্টা ও রবীন্দ্রনাথ
  • নির্ঘন্ট

বিদগ্ধ পাঠক সূচিপত্র দেখেই বইয়ের ব্যাপ্তি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবেন। তিনি বুঝতে পারবেন লেখক মানবজীবনের প্রায় প্রতিটি দিক রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলো থেকে তুলে এনে ব্যাখ্যা করেছেন। সমাজ, রাজনীতি, জীবন দর্শন, সভ্যতার সংকট, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য কোন কিছুই আনোয়ার পাশার সচেতন অন্বেষার আড়ালে থাকে নি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনযাত্রার বাঁকে বাঁকে বাংলার মানব মানবীকে নিজের গল্পগুলোতে যে সব জায়গায়, যে ভঙ্গিতে, যে উপাদানে জারিত করে উপস্থাপন করেছেন, সেসবের কোনটাই তাঁর মননবোধের দৃষ্টি এড়ায় নি।

গল্পগুচ্ছের প্রথম খণ্ডের উপস্থাপনায় আনোয়ার পাশা বলেন-
অনেকগুলি গল্পে এবং সেগুলি প্রায় প্রথম খন্ডের, কবির প্রকৃতি-দৃষ্টি সমাজ-দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করে প্রধান হয়ে উঠেছে। দ্বিতীয় খন্ডের থেকেই লক্ষ করি, প্রকৃতি যতোই প্রাধান্য লাভ করুক সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলি সাধারণতঃ আদৌ উপেক্ষিত হয়নি। অবশ্য লেখক হিসাবে রবীন্দ্রনাথ বরাবরই বহুক্ষেত্রে কাহিনী গড়ে তোলার প্রয়োজনে প্রকৃতিকে কাজে লাগিয়েছেন, কিন্তু সে জন্য সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলি কম প্রাধান্য পেতে দেখি কেবল প্রথম খন্ডের কিছু কিছু গল্পেই। পৃষ্ঠা- ১১৮

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করতেন। তিনি প্রচলিত শিক্ষা কাঠামোর অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রকারের ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। শিক্ষা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গির বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিচয় একাধিক গল্পে রয়েছে। আলোচক আনোয়ার পাশা শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে এক বিশেষ উপলব্ধি লাভ করেছেন ‘পুনরাবৃত্তি’ গল্প থেকে। তিনি নিঃসঙ্কোচে জানান-
এ গল্পের অধ্যাপক প্রকৃতই রাক্ষসের প্রতীক, কিন্তু ধনতান্ত্রিক সভ্যতার নয়, সামন্ত সমাজের মুখপাত্র তিনি। পৃষ্টা- ২১৯

এই গল্পে একটি বিষয় বেশ স্পষ্ট হয়েছে। চিন্তাশীল মানুষের অনুধাবনকে আনোয়ার পাশা প্রকাশ করেছেন নিজের ভাষায়। তিনি বলেন-
মানুষে মানুষে ভেদাভেদের জন্মদাতা যেই হোক তার পোষণ ও লালনকর্তা হচ্ছে আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থা এবং এই গল্পের অধ্যাপকের মতো অধ্যাপকেরা। রাক্ষস অধ্যাপকের দল রাক্ষুসে থিওরি দিয়ে সমাজের চোখ বেঁধে রেখেছে, মুক্তি সম্ভব হ'তে পারে শুধু যদি এই রাক্ষুসে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব হয়। পৃষ্ঠা- ২২০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুচ্ছে কত বিচিত্র প্রকার ও শ্রেণীর বাঙালির সন্ধান মেলে তার বিবরণ  আনোয়ার পাশা উল্লেখ করেছেন। আলোচনার এই অংশে রয়েছে মোট আঠারো প্রকার বা শ্রেণীর বাঙালিকে চিহ্নিত করে তাদের পরিচয় বা বিবরণ। প্রায় প্রত্যেক প্রকারের বাঙালি সম্পর্কে রয়েছে সংক্ষেপে দু'এক লাইনের বর্ণনা। পৃষ্ঠা - ২৫৭

‘নরনারী’ শিরোনামের দীর্ঘ আলোচনাটি দশটি প্রবন্ধে বিভক্ত। কোন উপশিরোনাম না দিয়ে শুধু সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত রচনাগুলো বাঙালি নরনারীর বিচিত্র রূপের যেন প্রামাণ্য দলিল। রবীন্দ্রনাথ তার বন্ধু শ্রীশচন্দ্র মজুমদারকে চিঠিতে লিখেছিলেন “শান্ত বাঙালির কাহিনী কেউ ভালো করে বলে নি।” আনোয়ার পাশা এই বাক্যটিকে উদ্ধৃত করে ব্যাখ্যা করেন-
রবীন্দ্রনাথের প্রথমদিকের গল্পগুলিতে এই শান্ত বাঙালির কাহিনীই আমরা পেয়েছি নানা রূপে ও বিচিত্র ভঙ্গিতে। কিন্তু পরে পরিবর্তিত দেশ ও সমাজের সামগ্রিক চেহারাটাকে অঙ্গীকার ক'রে সর্বস্তরের বাঙালি নরনারীকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গল্পের মধ্যে স্থান দিয়েছেন। এক কথায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণীর বিচিত্র নরনারী রবীন্দ্র ছোটগল্পের উপজীব্য। সাধারণ স্তরের নরনারীদের ভীড় প্রথমদিকের গল্পসমূহে, কিন্তু পরে অসাধারণ আন্তর্জালিক খ্যাতিসম্পন্ন পুরুষ তাঁর গল্পের চরিত্র হয়েছে। আবার এই সামাজিক স্তরের মানুষের মধ্যে রুচি ও মানসতা অনুসারে বিবিধ বৈচিত্র্যকে অনুধাবন করে নানাবিধ চরিত্রের জন্ম হ'তে দেখি বিভিন্ন গল্পে। আপন সৃষ্টিক্ষেত্রে অতি অকর্মণ্য মূঢ় বাঙালিকে যেমন তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন, তেমনি প্রত্যক্ষ করেছেন প্রখর কর্মীপুরুষকে। পৃষ্ঠা - ২৪০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প সম্পর্কে বিশ্লেষণমূলক আলোচনা যারা পড়তে চান, তারা এই বই পড়তে পারেন। রবীন্দ্রনাথকে অনুধাবন চেষ্টা অনেকেই করেছেন। এক এক সমালোচক নিজ অবস্থান থেকে রবীন্দ্র সাহিত্যের বিভিন্ন দিক উদ্ভাবন করেছেন। রবীন্দ্র সাহিত্য অধ্যয়নে এবং রবীন্দ্র দর্শন অনুধাবনে আগ্রহী পাঠকের এই জাতীয় বই যত বেশি সম্ভব পাঠ করা প্রয়োজন। তার পাঠ্য তালিকায় ‘আনোয়ার পাশা’ রচিত ‘রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা’ বইটি অবশ্যই রাখা উচিত।

সাধারণ পাঠক এই বই পাঠে বুঝতে পারবেন কত বিচিত্র দিক থেকে কোন একটি গল্পকে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। সাহিত্যকীর্তির সৃষ্টি প্রক্রিয়া বা কার্যক্রম রচয়িতার একটি সাময়িক সক্রিয়তা হতে পারে। কিন্তু কালান্তরে তা যত বেশি পাঠকের কাছে পৌছায়, সেটি ততো বেশি বহুমাত্রিক হয়ে ওঠে। বিষয়টি প্রধানত সাহিত্যতত্ত্বের। কিন্তু আলোচকের সরল বাক্য ও সাবলীল গদ্যের গুণে তা আর তত্ত্বালোচনায় ঘেরাটোপে সীমাবদ্ধ থাকে নি। তাঁর বিশ্লেষণের ব্যাপক রূপময়তা ও মূল্যায়নের বিস্তৃত ভঙ্গি সাধারণ্যে পরিচিত নয়। যে কারণে এই বই পাঠশেষে সাধারণ পাঠক বা নতুন লেখকগণ নিজেদের সৃষ্টির যথার্থতা মূল্যায়ন করতে পারবেন; অন্যের সাহিত্যের বিশ্লেষণ ক্ষমতা বা ব্যাখ্যার সামর্থকে পরিমাপ করতে পারবেন। অযথা নিজের সম্পর্কে অতিশয়োক্তির ফাঁদে পড়বেন না। বুঝতে পারবেন নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতা বা অযোগ্যতাকেও।

আলোচ্য বইটির পুনঃপ্রকাশ করে ঢাকাস্থ প্রকাশনা সংস্থা স্টুডেন্ট ওয়েজ ধন্যবাদার্হ হয়েছে। তবে বইয়ের যে কোন একটি জায়গায় তাদের নিজেদের কিছু বক্তব্য থাকা উচিত ছিল। বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা, সমালোচনা বা  সাহিত্যতত্ত্বের এই জাতীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের প্রথম সংস্করণের সাল বা তারিখ বইয়ের কোথাও লেখা থাকবে না সেটা হতে পারে না। আনোয়ার পাশা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তাঁর বই পুনঃপ্রকাশ করার জন্য স্টুডেন্ট ওয়েজ নিশ্চয় আইনগত অনুমতি নিয়েছে। সে কথাটি সম্পাদকের বক্তব্য শিরোনামে প্রথমেই উল্লেখ করা যেত। এরকম গবেষণামূলক বই প্রকাশ করার সময় তাদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রকাশক পরবর্তী সংস্করণে এই বিষয়টির দিকে একটু লক্ষ্য রাখবেন বলে প্রত্যাশা করি।

----------------<>----------------
রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা
আনোয়ার পাশা


প্রচ্ছদঃ কামাল মাহমুদ
প্রকাশকঃ স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা
তৃতীয় মুদ্রণঃ ২০০৫
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৩২৪
মূল্যঃ ৪০০/= টাকা
ISBN: 978-984-91399-5-9

0/আপনার মতামত?/টি মন্তব্য

মন্তব্য করার পূর্বে মন্তব্যর নীতিমালা সম্পাদকের স্বীকারোক্তি পড়ুন। ই-মেইল ফর্ম।

নবীনতর পূর্বতন