মেয়েটি বইগুলোকে ঘৃণা করতো

যে মেয়েটি বই পড়তে ঘৃণা করতো-স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র

ছোট্ট মেয়ে মিনা বই পড়তে পছন্দ করে না। তাদের বাড়ি ভর্তি শুধু বই আর বই। বইয়ের তাক তো বটেই বিছানা, সোফা, সিড়ি, কাপড়ের আলমারী সব জায়গায় গাদা গাদা বই দিয়ে ভর্তি। তার বাবা মা বই পড়তে খুব ভালোবাসে। তারা বই কেনে, বই ধার করে, বইয়ের অর্ডার দেয়; আর মিনা বসে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। সে বই পড়তে চায় না। তার জন্য যে বইগুলো বাবা-মা নিয়ে এসেছিল সেগুলো শোবার ঘরে গাদা করে রাখা। একটাও পড়া হয় নি।

একদিন তার পোষা বিড়াল বইয়ের গাদার একেবারে উপরে উঠে বসেছিল। তাকে নামাতে গিয়ে সব বইগুলো এলোমেলো হয়ে সারা ঘরে ছিটকে পরে যায়। আর বইয়ের ভিতরে থাকা চরিত্রগুলো সব এক লাফে বাইরে বের হয়ে আসে।

তার ঘরে প্রজাপতি, বানর, হাতি, ভালুক, হাঁস, জিরাফ, ক্যাঙ্গারু, বক, খরগোস, নেকড়ে, রাজা-রানী, সৈন্য সবাই দাপিয়ে বেড়াতে থাকে। কেউ জানালার পর্দা টেনে ছিড়তে থাকে, কেউ ঘর নোংরা করে ফেলে, কেউ আবার টেবিলের পায়া কামড়ে-খামচে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। বইয়ের চরিত্রগুলো হঠাৎ করে বাইরে বের হয়ে এসে মিনাকে অবাক করে দেয়। প্রাণীগুলো নিজেরাও বাইরে থাকতে চায় না। তারা বইয়ের ভিতরেই ঢুকে যেতে চায়, কিন্তু সে কোন বইয়ের পাতার ভিতরে লুকিয়ে ছিল তা তো জানেনা। কারণ সে পড়তে পারে না। ওরা মিনার সাহায্য চায়। কিন্তু মিনাও তো কোন বই পড়েনি। আর বই না পড়লে কীভাবে জানবে কোন বইয়ের ভিতর কোন প্রাণীর কথা রয়েছে।

প্রাণীদের কান্নাকাটি ও অত্যাচারে অতীষ্ট হয়ে মিনা বই পড়তে বাধ্য হয়। এভাবে প্রত্যেকটি বই মিনার পড়া হয়ে যায়। প্রাণীগুলো খুঁজে পায় নিজেদের বই আর মিনা খুঁজে পায় বই পাঠের আনন্দ। কানাডার জাতীয় ফিল্ম বোর্ডের তৈরি মাত্র সাড়ে সাত মিনিটের এই মজার চলচ্চিত্রটি প্রত্যেক শিশু-কিশোরকে আনন্দ দেবে।

২টি মন্তব্য:

  1. নাহিদ হাসানমে ০৫, ২০১৮

    ভিডিও দুটি অসামান্য!

    উত্তরমুছুন
  2. সাজ্জাদমে ১৭, ২০১৮

    দারুণ ভিডিও। আমার ছেলেটা খুব পছন্দ করেছে। শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন

মন্তব্য করার পূর্বে মন্তব্যর নীতিমালা সম্পাদকের স্বীকারোক্তি পাঠ আবশ্যক। ইচ্ছে করলে ই-মেইল করতে পারেন।